ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। শুক্রবার (২ আগস্ট) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ইসরায়েল দাবি করেছে, এই হামলা প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
হুতি গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “প্যালেস্টাইন-২” নামের হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়েছে। যদিও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, হামলার আগেই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার সময় ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সংকেত (সাইরেন) বাজতে শোনা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের পর থেকেই হুতি বিদ্রোহীরা ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। মার্চ মাসে গাজায় দুই মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির সময় হুতিরা হামলা বন্ধ রেখেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করায় হুতিরাও আক্রমণ চালাতে শুরু করেছে।
আরও
এর জবাবে ইসরায়েলও হুতি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের কিছু অঞ্চলে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব অভিযানের লক্ষ্য ছিল সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং হুতি-নিয়ন্ত্রিত বন্দর এলাকা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। হুতি বিদ্রোহীদের এই ধরনের অভিযানে ইসরায়েলের আকাশসীমা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ক্রমাগত ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।










