Opens in a new tab
সর্বশেষ
ব্রেকিং

ইরানে নতুন করে হামলা না করার নির্দেশ ট্রাম্পের

5698 6a505eb5d3d28Web Popup (3)

টানা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ইরানে প্রতিদিন বিমান হামলা চালানোর পর নতুন করে আর কোনো হামলা না করার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও কিছুটা সময় দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে কিংবা প্রয়োজন দেখা দিলে যেকোনো সময় হামলা আরও জোরদার করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিগত টানা ১৩ দিন ইরানে প্রতিদিন হামলা চালানোর অনুমোদন দিলেও গত শুক্রবারের নির্ধারিত বিমান হামলার পরিকল্পনায় সায় দেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এটি কেবল সাময়িক বিরতি নাকি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য কৌশলে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তনের সংকেত, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প মনে করছেন, বড় ধরনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে না জড়িয়ে বর্তমান সামরিক পদক্ষেপগুলোকে একটি বাস্তবভিত্তিক সীমায় রাখা এবং একই সঙ্গে সমঝোতার পথ খোলা রাখাই এখন সবচেয়ে সুবিধাজনক।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্পের কণ্ঠেও সেই কৌশলী অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি জানান, চাইলে যুক্তরাষ্ট্র হামলা অব্যাহত রাখতে বা আরও তীব্র রূপ দিতে পারে, এমনকি ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়াও অসম্ভব নয়। তবে কেবল বলপ্রয়োগ না করে ইরানের সঙ্গে একটি টেকসই সমঝোতায় পৌঁছানোকেই এই মুহূর্তে বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করছেন তিনি। তেহরানের সঙ্গে চলমান আলাপের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, দিন যত যাচ্ছে ইরানি পক্ষ ততই আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ও আন্তরিক হয়ে উঠছে। যদিও পরে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেন যে, ইরান এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পুরোপুরি প্রস্তুত কি না তা দেখার বিষয়, তবে ওয়াশিংটন তাদের কথা শুনতে প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টা আগেই একটি নতুন আঞ্চলিক সমঝোতার উদ্দেশ্যে ওমানের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছায়। মূলত কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালি আবারও নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার নতুন আইনি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ওমান ও ইরানের মধ্যকার মধ্যস্থতা ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহান্তেই দুই দেশের মধ্যে একটি প্রাথমিক রফাসূত্র বাস্তবায়িত হতে পারে, যা পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)