Long Popup (2)
সর্বশেষ

ইরানের সাবমেরিন কেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, ভিডিও ভাইরাল

Untitled 1ProbashircityWebPopupUpdate

প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে চালিত ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের একটি সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালি ঘিরে দুই দেশের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। একই সময়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গত রোববার ইরানের ওই স্থাপনায় একমুখী আক্রমণকারী একাধিক সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। সোমবার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সেন্টকমের পোস্টে বলা হয়, ‘গতকাল একাধিক একমুখী আক্রমণকারী সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার করে সেন্টকম বাহিনী সফলভাবে ইরানের একটি সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।’

এমন এক সময়ে এই হামলা হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটন ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর জবাবে তেহরানও কাতার, বাহরাইন, জর্ডান ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে চালানো এই হামলায় তিনটি করসেয়ার চালকবিহীন সমুদ্রযান (ইউএসভি) ব্যবহার করা হয়। চলমান এই সংঘাতে মার্কিন বাহিনী এবারই প্রথম সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার করল। সেন্টকম জানিয়েছে, এই হামলার মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন-সংক্রান্ত সরঞ্জাম এবং ছোট নৌযানসহ কয়েক ডজন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।


এদিকে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁরা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছেন। এর এক দিন আগেই তিনি ইরানে ভয়াবহ বোমা হামলার কথা জানিয়েছিলেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের পর ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব পণ্যবাহী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২০ শতাংশ ফি আরোপ করবে।

ট্রাম্প বলেন, ‘এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ নামে পরিচিত হবে। তবে ন্যায্যতার স্বার্থে এই অতি অস্থির সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে ব্যয় হবে, তা পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হওয়া সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে অর্থ নেওয়া হবে।’ এ ব্যবস্থা কার্যকরের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ ছাড়া ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়নি। ইরান থাকুক বা না থাকুক, এটি খোলাই থাকবে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate