Long Popup (2)
সর্বশেষ

ইরানের বিরুদ্ধে গোপনে একাধিক হামলা চালিয়েছিল আমিরাত!

ScreenshotProbashircityWebPopupUpdate

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) গোপনে সামরিকভাবে যুক্ত ছিল। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের (ডব্লিউএসজে) এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরদিন পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত ও জ্বালানি স্থাপনায় কয়েক ডজন বিমান হামলা চালিয়েছে আমিরাত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ডব্লিউএসজে জানিয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় রেখেই আমিরাত এই সামরিক অভিযানগুলো পরিচালনা করেছে। এমনকি ইরানে নিখুঁতভাবে হামলা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের গোয়েন্দা তথ্য ও সহায়তা দিয়ে আমিরাতকে সাহায্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর আগে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, তারা এসব হামলাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির যেকোনো পরিণতির জন্য ইরানকেই সম্পূর্ণ দায়ী মনে করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে আমিরাতের এসব হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত হরমুজ প্রণালির বেশ কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপ, গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস এবং ইরানের প্রধান জ্বালানি অবকাঠামোগুলো। এর মধ্যে একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স ও একটি দ্বীপভিত্তিক তেল শোধনাগারেও আঘাত হানে আমিরাতের যুদ্ধবিমান। তবে এই হামলার জেরে বসে থাকেনি তেহরানও। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের পক্ষ থেকেও আমিরাতের বিভিন্ন তেল ও গ্যাস স্থাপনা লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন ও বিমান হামলা চালানো হয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, সংঘাতে আমিরাতের এই গোপন সামরিক তৎপরতা প্রতিবেশী সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কেও একধরনের টানাপোড়েন তৈরি করে। আমিরাত সে সময় ওয়াশিংটনের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছিল, এসব পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনাগুলো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহকে চরম অস্থিতিশীল করে তুলবে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত এপ্রিলের শেষ দিকে আমিরাত তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।

এই সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কৌশলগত ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও এক ধাপ এগিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি যুদ্ধের চরম উত্তেজনার সময় আরব আমিরাতের আকাশপথ সুরক্ষিত রাখতে ইসরায়েল সেখানে তাদের অত্যাধুনিক ‘আয়রন ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করার পাশাপাশি সেনাও মোতায়েন করেছিল বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নিশ্চিত করেছে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate