দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর সৃষ্ট উত্তেজনাকর যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথমবারের মতো ফোনে কথা বলেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই দুই নেতার মধ্যে এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয় বলে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে প্রতিশোধ হিসেবে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন আরব দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। পরবর্তীতে বাণিজ্যিক অবকাঠামোতেও তেহরান হামলা চালালে পুরো অঞ্চলে এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টেলিফোনে আলাপকালে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তেজনা কমানোর উপায় এবং বর্তমান পরিস্থিতির সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
অন্যদিকে, গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। এরপর এই সংকট সমাধানে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা একটি আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
আরও
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই আলোচনায় অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার রাতেই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে ইরানি প্রতিনিধিদল। পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগকে বানচাল করতে ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। এর ফলে যুদ্ধাবসানের সংলাপ নিয়ে ইরানি জনগণের মনে গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনায় অংশ নিতে ইরানি প্রতিনিধিদল আজ রাতে পাকিস্তানে পৌঁছাবে।



![]oiug](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/04/oiug.webp)





![]](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/04/unnamed-file-1.webp)
