ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় অবস্থিত একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার জেরে ওই শোধনাগারে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে, হাইফার বাজান তেল শোধনাগারে এই আকস্মিক হামলা চালানো হয় এবং ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।
হামলার পরপরই শোধনাগার এলাকা থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। খবর পেয়ে জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। এর আগে গত ১৯ মার্চও গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। মূলত নিজেদের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইসরায়েলি হামলার কড়া প্রতিশোধ হিসেবে তখন ওই পাল্টা আঘাত হেনেছিল তেহরান।
তেল শোধনাগারে হামলার পাশাপাশি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাঘাঁটি ও সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে তারা দফায় দফায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘাতে তিনটি পৃথক ঘটনায় তাদের অন্তত ছয়জন সেনা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে অ্যান্টি-ট্যাংক হামলায় দুজন, ড্রোন হামলায় তিনজন এবং সামরিক অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় একজন আহত হন। আহত এই সেনাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
আরও
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, আজ সকালে দক্ষিণ লেবাননের আল-আদাইসাহ শহরের খানুক এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে দুটি রকেট হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া কিরিয়াত শমোনা, আল মালিকিয়া ও আভিভিম বসতি এলাকায় ইসরায়েলি সেনা এবং সামরিক যানবাহনের ওপরও তারা রকেট হামলা চালিয়েছে। এর বাইরে আজ ভোরে হাইফার দক্ষিণে অবস্থিত মিশমার আল কারমেল এলাকায় ইসরায়েলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর সফল হামলা চালানোর দাবি করেছে লেবাননের এই সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী।




![]jh](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/05/jh.webp)






