তেহরানের আকাশে মঙ্গলবার আকস্মিক সোনিক বুম শোনা যাওয়ার পর রাজধানীবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন উঠতে থাকে যে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে। তবে তেহরান কর্তৃপক্ষ এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে।
ইরানি বিমানবাহিনী জানায়, ওই শব্দটি ছিল দেশটির বিমানবাহিনীর রুটিন প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের অংশ। একটি মিগ–২৯ যুদ্ধবিমান উচ্চগতিতে মহড়া চালানোর সময় সোনিক বুম সৃষ্টি হয় বলে নিশ্চিত করেছে তারা। এ ধরনের মহড়া বহুদিন ধরেই ইরানের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ইরান জোর দিয়ে বলেছে, তাদের আকাশসীমায় কোনো ইসরায়েলি বিমান ঢোকেনি। একই ধরনের ব্যাখ্যা দিয়েছে ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও। পূর্ব ইরাকে বিদেশি যুদ্ধবিমান ঢোকার খবরকে তারা ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে জানায়, সেদিন শোনা বিমান শব্দগুলো ছিল ইরাকি বিমানবাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ।
আরও
উল্লেখ্য, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গত জুনে ১২ দিনের সংঘর্ষের পর থেকে এক ধরনের অস্থির যুদ্ধবিরতি চলছে। পরিস্থিতি নাজুক হওয়ায় উভয় দেশের পক্ষ থেকেই সতর্ক করা হয়েছে—যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেফিডের একটি রিপোর্টে ইসরায়েলি বিমান ইরানের সীমান্তঘেঁষা ইরাকি আকাশসীমায় নজরদারি চালিয়েছে বলে দাবি করা হলে তেহরানের পক্ষ থেকে দ্রুত সেই তথ্য অস্বীকার করা হয়। ইরান আন্তর্জাতিকের বরাত দিয়ে এ খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।













