মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময়ের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করেছে। তিনি বলেন, ইসরায়েল প্রাথমিক প্রত্যাহার সীমারেখায় যেতে সম্মত হয়েছে এবং হামাসের নিশ্চিতকরণের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এ পদক্ষেপকে ৩ হাজার বছরের সংঘাতের সমাধানের দিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প।
টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক সীমারেখায় ইসরায়েলের সম্মতি মূলত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর আগে হামাসও জানায়, আলোচনার পর তারা প্রাথমিক সীমারেখায় ইসরায়েলের সম্মতি পেয়েছে এবং বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লেখেন, হামাসের নিশ্চিতকরণের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, বন্দি ও কয়েদি বিনিময় শুরু হবে এবং পরবর্তী ধাপের সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। তিনি এটিকে গাজায় চলমান সংঘাতের সমাধানের দিকে এগোনোর বড় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আরও
এর আগে গাজায় বন্দিমুক্তি ও শান্তিচুক্তির আলোচনায় ট্রাম্প হামাসকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ইসরায়েল অস্থায়ীভাবে বোমাবর্ষণ বন্ধ করেছে, যাতে বন্দিমুক্তি ও শান্তিচুক্তির সুযোগ তৈরি হয়। হামাস দ্রুত পদক্ষেপ নেবে না, তাহলে সব কিছুই ব্যর্থ হয়ে যাবে।”
এদিকে হামাস একদিন আগে জানিয়েছিল, তারা জীবিত ও মৃত সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত এবং গাজার প্রশাসন স্বাধীন, প্রযুক্তিনির্ভর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করবে। তবে তারা জোর দিয়ে বলেছেন, গাজার ভবিষ্যৎ এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার একটি বৃহত্তর জাতীয় কাঠামোর মধ্যেই নির্ধারিত হবে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকেই নারী ও শিশু। গোটা অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং অধিকাংশ অধিবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।












