মধ্যপ্রাচ্যে কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইতোমধ্যে এক ডজন মার্কিন ট্যাংকার বিমান অবস্থান করছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতেও আরও এক ডজনের বেশি বিমান প্রস্তুত রয়েছে, যা সম্ভবত যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত রাখার অংশ।

ফ্লাইট রাডারের তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে একটি সরকারি প্রতিনিধি দল বেলারুশের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট করেছে। এই সফরের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।
আরও
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখন কোনো সংলাপ চলছে না, কারণ ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্তাবলীতে সম্মত হয়নি। একই সময়ে রাশিয়া ও ইরান কয়েকটি নতুন পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সাম্প্রতিক দিনে ট্রাম্প তার ট্রুথ স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে রাশিয়াকে ‘পেপার টাইগার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং রাশিয়ার জনগণকে সম্ভাব্য যুদ্ধের ক্ষতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। এটি নজিরবিহীন, কারণ আগে ট্রাম্প সাধারণত ইউক্রেনকে দায়ী করতেন এবং পুতিনের সঙ্গে সুর মিলাতেন না। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানে হামলার বিষয়ে পুতিনের সমর্থন না পাওয়ায় ট্রাম্প ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, পরমাণু ইস্যুতে ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার বৈধ কারণ হিসেবে দেখছে। তাদের লক্ষ্য হলে ইরান থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতা হ্রাস এবং সব পরমাণু স্থাপনায় আঘাত করা হতে পারে।











