সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতের পর চীনের কাছ থেকে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে—ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর এমন প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং। চীনের স্পষ্ট বক্তব্য, তারা কোনো যুদ্ধরত দেশের কাছে অস্ত্র রপ্তানি করে না এবং দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুদ্ধবিরতির পর চীন ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে, বিনিময়ে ইরান দিয়েছে অপরিশোধিত তেল। এই তথ্যের উৎস হিসেবে একটি অজ্ঞাতনামা আরব গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করা হলেও ক্ষেপণাস্ত্রের পরিমাণ স্পষ্ট করা হয়নি।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইসরায়েলে অবস্থিত চীনা দূতাবাস স্থানীয় সংবাদপত্র ইসরায়েল হায়োম-কে জানায়, বেইজিং কোনো যুদ্ধরত রাষ্ট্রে অস্ত্র পাঠায় না এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র বিস্তার রোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তারা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও
এদিকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, বিষয়টি নিয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত মাসে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। সংঘাত থামাতে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়। তবে ইসরায়েল আশঙ্কা করছে, ইরান এখন নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের পথে এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।












