পাকিস্তানের নুর খান বিমানঘাঁটিতে সামরিক মালবাহী মার্কিন বিমান অবতরণের পর উত্তেজনা ও জল্পনা তুঙ্গে। চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিতে হঠাৎ করে একাধিক মার্কিন বিমান দেখা দেয়। বিশেষভাবে বোয়িং তৈরি ‘সি-১৭ গ্লোবমাস্টার’ বিমানগুলি নুর খান অবতরণ করে।

মার্কিন পক্ষের দাবি, বিমানগুলো বন্যাকবলিত পাকিস্তানের জন্য ত্রাণসামগ্রী বহন করছিল। এই ত্রাণ সামগ্রী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ইসলামাবাদের সেনা জেনারেলরা এই কার্যক্রমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—ত্রাণের আড়ালে কি অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে না?
আরও


পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়, ত্রাণের মধ্যে মূলত তাঁবু, জেনারেটর এবং জল নিষ্কাশনের পাম্প ছিল। এই সরঞ্জাম দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং সেনাবাহিনী সেখানে ত্রাণশিবির থেকে বিতরণ করছে। তবে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, কেন সরাসরি সরকার নয়, সেনা মাধ্যমেই ত্রাণ সরবরাহ করা হলো।


বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয়, নুর খানে সামরিক বিমানের অবতরণের সময় কোনো বেসামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। এ ছাড়া, লাহোর বা ইসলামাবাদের বিমানবন্দরে অবতরণ করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন বেছে নেওয়া হলো ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি—এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় ভারতের দৃষ্টি বাড়িয়েছে নুর খানের দিকে। ওয়াশিংটনের সামরিক কার্যক্রমকে ঘিরে প্রতিবেশী দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ত্রাণ প্রদানের আড়ালে আবারও কোনো কৌশলগত সরঞ্জামের সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা এখনও শেষ হয়নি।











