বিদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেরত আসা প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে পাকিস্তান। নতুন নীতিমালায় এসব নাগরিককে পাঁচ বছর পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হবে এবং এ সময়ে তারা নতুন পাসপোর্টও পাবেন না। দেশটির শীর্ষস্থানীয় দৈনিক দ্য নিউজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি সিনেটে এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, বিদেশ থেকে অপরাধের দায়ে বহিষ্কৃত নাগরিকদের নাম বিশেষ একটি “পাসপোর্ট কন্ট্রোল লিস্টে (পিসিএল)” অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তালিকায় নাম উঠলে তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন বা নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করতে পারবেন না। সেই সঙ্গে বিদেশে যাওয়া থেকেও তারা বিরত থাকবেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, শুধুমাত্র অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অবৈধ কার্যকলাপ বা অন্য কোনো গুরুতর কারণে বিদেশ থেকে বহিষ্কৃতদের বিরুদ্ধেই এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে সাধারণ ভিসা বা কাগজপত্রজনিত কারণে বহিষ্কৃতদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
আরও
নীতিমালায় আরও উল্লেখ রয়েছে, প্রয়োজনে এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ পাঁচ বছরের বেশি সময়ের জন্যও বাড়ানো যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকে আনুষ্ঠানিক আবেদন ও যুক্তিসহ ব্যাখ্যা দিতে হবে।
সরকার বলছে, বিদেশে অপরাধ বা অসদাচরণে জড়িত হয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারীদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করাই এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ নীতিমালার মাধ্যমে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভাবমূর্তি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে।











