চলতি বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে, এপ্রিল মাসে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ওই হামলার পর প্রতিক্রিয়াস্বরূপ পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল করে ভারত এবং হুমকি দেয়, সিন্ধুর পানি আর পাকিস্তানে সরবরাহ করা হবে না।
এ প্রেক্ষিতে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির যুক্তরাষ্ট্র সফরে এক অনুষ্ঠানে বলেন, সিন্ধু নদে ভারতের বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হলে সেটি মিসাইল হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হবে। তার ভাষ্য, “সিন্ধু নদ ভারতের পারিবারিক সম্পত্তি নয়, এবং পাকিস্তানের মিসাইলের কোনো ঘাটতি নেই।”
১৯৬০-এর দশকে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু নদ চুক্তির মাধ্যমে সিন্ধুর অববাহিকার তিনটি নদীর পানি পাওয়ার অধিকার পাকিস্তানকে দেওয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে পানি বিরোধ নতুন মাত্রা পেয়েছে। অসীম মুনির আরও সতর্ক করে বলেন, যদি পাকিস্তানের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে তারা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে “বিশ্বের অর্ধেক ধ্বংস” করে দেবে, যদিও এতে নিজেদেরও ক্ষতি হবে।
আরও
দুই মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। সফরকালে তিনি দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন।












