চলতি বছরে মালয়েশিয়াজুড়ে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে ৯০ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ১৩ হাজার ৬৭৮টি অভিযানে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি বিদেশিকে তল্লাশি করা হয়েছে। তল্লাশির তালিকায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কার্ডধারী পাঁচ হাজারের বেশি ব্যক্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে সরাসরি আটক হয়েছে ৫০ হাজার ৪৭২ জন বিদেশি। পাশাপাশি দেশের প্রধান প্রবেশপথ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে আরও ৪১ হাজার ৩৫৭ জনকে হিমাগারে রাখা হয়েছে। আটক হওয়াদের মধ্যে ইন্দোনেশীয় নাগরিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ—১৫ হাজার ৩৮৫ জন। এরপর রয়েছে বাংলাদেশি ১১ হাজার ১০৫ জন এবং মিয়ানমারের ৯ হাজার ৭৮৯ জন নাগরিক।
এ ছাড়া ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম ও নেপালের নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের ব্যক্তিরাও আটক হয়েছেন। ইমিগ্রেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ অভিবাসী বৈধ কাগজপত্র না রাখা, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এবং কর্মসংস্থান অনুমতির অপব্যবহারের কারণে গ্রেপ্তার হয়েছে।
আরও
অবৈধভাবে চাকরি দেওয়া বা আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে বিপুল সংখ্যক নিয়োগকর্তাকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এদের মধ্যে মালয়েশিয়ার স্থানীয় নাগরিক ২ হাজার ১২ জন, বাংলাদেশি ৩৪ জন ও ইন্দোনেশীয় ২১ জন মালিক রয়েছেন। পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, চীন ও মিয়ানমারের নাগরিক মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিদেশি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশটির শ্রমবাজার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।











