মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সরকারি সংস্থা বোয়েসেল গত তিন মাসে একজন কর্মীও পাঠাতে পারেনি। অথচ প্রতিবেশী দেশগুলো ইতোমধ্যে হাজার হাজার শ্রমিক পাঠিয়েছে। ফলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অন্য দেশের কর্মীরা জায়গা করে নিচ্ছেন, কিন্তু বাংলাদেশিরা পড়ছেন অনিশ্চয়তায়।
সরকারি খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা, যা বেসরকারি এজেন্সিগুলোর অনুমোদিত খরচ ৭৮ হাজার ৯০০ টাকার দ্বিগুণেরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উচ্চ ব্যয় ও সিআইডির তদন্ত প্রক্রিয়ার কারণে শ্রমিক পাঠানো আটকে গেছে।
মালয়েশিয়ার ‘ওয়ান অফ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৭ হাজার ৮৭৩ জন শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ থাকলেও বোয়েসেল এখনো কাউকে পাঠাতে পারেনি। অন্যদিকে নেপাল ইতোমধ্যে ২০ হাজার কর্মী পাঠিয়েছে।
আরও
জনশক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত প্রাইভেট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা না করলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের স্বপ্ন ভেঙে যাবে এবং রেমিট্যান্স আয়েও প্রভাব পড়বে। বোয়েসেল জানিয়েছে, শীঘ্রই তারা শ্রমিক পাঠানো শুরু করতে পারবে বলে আশা করছেন।











