ভারতের গুজরাটে বিয়ের ঠিক আগ মুহূর্তে হবুবধূকে হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে শাড়ি ও অর্থ নিয়ে তুমুল ঝগড়ার একপর্যায়ে পুরুষ সঙ্গী হবুবধূ সোনি হিম্মত রাথোদকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে তার মাথা দেওয়ালে আছড়ে মারেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ঘটনাস্থলেই ওই নারীর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, স্বজন বারৈ এবং সোনি হিম্মত রাথোদ এক বছর ধরে লিভ-টুগেদারে ছিলেন। তাদের এনগেজমেন্ট ও বিয়ের সব প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। শনিবার নির্ধারিত দিনেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু বিয়ের মাত্র এক ঘণ্টা আগে শাড়ি ও কিছু অর্থ নিয়ে ঝগড়া বাধে দুজনের মধ্যে। উত্তেজিত স্বজন প্রথমে লোহার রড দিয়ে সোনিকে প্রহার করেন এবং পরে জোরে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেন। এ সময় ঘরের ভেতর ভাঙচুরও চালানো হয়। ঘটনার পর স্বজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়, আর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
আরও
গুজরাট পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট আর আর সিংঘাল জানান, পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও যুগলটি দীর্ঘদিন একসঙ্গে বাস করছিল। বিয়ের দিনই এমন নৃশংস ঘটনায় হতবাক স্থানীয়রা। সিংঘাল বলেন, ‘শাড়ি ও টাকা নিয়ে তর্কের সময় স্বজন সোনিকে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, হবুবধূকে হত্যার ঠিক আগে এক প্রতিবেশীর সঙ্গেও ঝগড়ায় জড়িয়েছিলেন স্বজন। পুরো ঘটনাটি ঘিরে পুলিশ এখন বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।










