ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের সচেন্দি এলাকায় পরকীয়া সম্পর্ক গোপন রাখতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে এক নারী ও তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত নারী তার ২০ বছরের ভাগ্নের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দু’জন মিলে স্বামী শিববীর সিংহকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং নির্মমভাবে খুন করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বান্দা জেলার বাসিন্দা শিববীর সিংহ সচেন্দির লালুপুর গ্রামে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত বছরের নভেম্বর মাসে তিনি নিখোঁজ হন। স্ত্রী দাবি করেন, শিববীর কাজের জন্য গুজরাটে গেছেন। তবে কোনো যোগাযোগ না হওয়ায় তার মা গত ১৯ আগস্ট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, শিববীর প্রায়ই নেশা করে বাসায় ফিরে স্ত্রীকে মারধর করতেন। এ সুযোগে স্ত্রী ও ভাগ্নে অমিতের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে তারা পরিকল্পনা করে ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর রাতে শিববীরকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
আরও
খুনের পর মরদেহ বাড়ির পাশের একটি বাগানে পুঁতে রাখা হয় এবং দ্রুত পচন ধরানোর জন্য মরদেহের ওপর প্রায় ১২ কেজি লবণ ছিটানো হয়। কয়েক মাস পর কুকুর সেই গর্ত খুঁড়ে ফেললে কিছু অস্থি উদ্ধার হয়। পরে বাকি হাড়গোড় পানকি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্ত্রী ও ভাগ্নে অমিতকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।











