আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সদ্য নিয়োগ পাওয়া চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, তদন্তকালেই মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাইবে রাষ্ট্রপক্ষ।
রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে যোগ দিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে বাকি প্রসিকিউটররাও আজ যোগ দিয়েছেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দ্রুতই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরও
তাজুল ইসলাম বলেন, দেশে অবস্থান করা কোনো আসামি যাতে বিদেশে পালাতে না পারে সেজন্যও তাদের বিরুদ্ধেও পরোয়ানা চাইবে তদন্তসংস্থা ও প্রসিকিউশন। ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত গণহত্যার সকল আলামত সংগ্রহ করাই এখন মূল কাজ।
হত্যার যেসব ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে সেগুলোও আলামত হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলেও জানান তিনি।
তাজুল ইসলাম জানান, আগে ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে রাষ্ট্রপক্ষে আইনী লড়াইয়ে কোনো আইনগত জটিলতা নেই। অতিদ্রুত ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা, প্রসিকিউটর দল অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।
বৃহস্পতিবার নতুন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ বাকিদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়। শনিবার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদা ভোগ করবেন। তাজুল ইসলাম ছাড়াও ট্রাইব্যুনালে আরও চার আইনজীবীকে প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তাঁরা হলেন—মিজানুল ইসলাম (অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদা), গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল), বি এম সুলতান মাহমুদ (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল), আব্দুল্লাহ আল নোমান (সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল)।












