স্বর্ণালংকার, ২০ লাখ টাকা ও একমাত্র পুত্র সন্তানকে নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মাদারীপুর শহরে একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কলে ভুক্তভোগী রাসেল হাওলাদার বলেন, আমি সৌদি আরব প্রবাসী শ্রমিক। গত আট বছর আগে একই গ্রামের মোস্তফাপুর শওকত বেপারীর মেজ মেয়ে মোসাম্মদ কাকলি আক্তারের সঙ্গে ২০১৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের বিয়ের প্রথম বছর সংসার সুখে শান্তিতেই চলে আসছিল। বিয়ের এক বছরের মধ্যে আমাদের ঘর আলোকিত করে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তার নাম মো. আরাবী। বর্তমান বয়স সাত বছর।
সন্তান হওয়ার এক বছর পর সংসারের অভাব অনটনে থাকায় সৌদি আরবে পাড়ি জমাই। দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাসে থেকে রক্ত পানি করা পয়সা তিলে তিলে জমিয়ে রাখি আমার স্ত্রীর কাকলির কাছে। তার শখ পূরণের জন্য বানিয়ে দেই ১০ ভরির স্বর্ণালংকার। তার কাছে জমা রাখি আমার কষ্টের উপার্জিত প্রায় ২০ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে জমা রাখা টাকা দিয়ে জমি কেনার ব্যাপারে আলোচনা করে টাকা চাইলে সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
আরও
পরে গত বছর জানুয়ারি মাসের ৩ তারিখে বাংলাদেশে আসি। একাধিকবার তার বাবা-মা আত্মীয়-স্বজনকে অবগত করে টাকা চাইলে সে দিতে রাজি না হওয়ায় আমি প্রবাসে চলে আসি। তারপরই শুরু হয় আমার সংসারে অশান্তি। এরপর পরপরই শুনি তার সঙ্গে মোস্তফাপুর এলাকার ইমাম আকনের ছেলে সুমন নামে একজনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।
এ বিষয় নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করলেও কোনো লাভ হয়নি। কিছুদিন পর আমার স্ত্রীর কাকলিকে একাধিকবার তার নম্বরে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাইনি। আমার নিজ বাড়িতে ফোন দিলে শুনি আমার স্ত্রী কাকলি তার প্রেমিক সুমন আকনের সঙ্গে পালিয়েছে। সঙ্গে আমার এক মাত্র সন্তান ও কষ্টার্জিত স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কলের মাধ্যমে সৌদি প্রবাসী ভুক্তভোগী রাসেল হাওলাদার সঠিক বিচার দাবি করছেন। তার একমাত্র ছেলেকে ফেরত চান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী রাসেল হাওলাদারের মা, বোন বোনের জামাইসহ তার নিকট আত্মীয়-স্বজনরা। তবে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।






![]](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/05/unnamed-file.webp)



