সোমবার (২৯ জুলাই) বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার বেলা ৩ টার দিকে আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাবের সামনে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে আসার আগেই সেখানে সতর্ক অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সমাবেশস্থলে আসতে না পেরে চেরাগি মোড়ে খণ্ড খণ্ড ভাবে এসে জড়ো হন তারা। এর কিছুক্ষণ পরেই চেরাগি মোড়ের অন্যপাশে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরাও অবস্থান নেন। এ সময় আন্দোলনকারীরাও বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হাতাহাতি হয়। সেখান থেকে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।
আরও
আন্দোলনকারীরা কদম মোবারম শাহী জামে মসজিদের সামনে বিকেল ৪টার পর সড়ক অবরোধ করে ফের বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে, আটক শিক্ষার্থীদের ছাড়াতে আন্দোলনকারীরা পুলিশের প্রিজনভ্যান আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষ হয় তাদের। পরে তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ছুঁড়ে পুলিশ।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছত্রভঙ্গ করতে ছোঁড়া সাউন্ড গ্রেনেডে আহত হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। তাকে উদ্ধার করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ওই পুলিশ সদস্য হলেন মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন। নগরের কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক পদে কর্মরত তিনি।
এর আগে, সোমবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ‘গুম, খুন ও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে’ বলে দাবি করে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ওই সমাবেশের ঘোষণা দেন তারা।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়দুল হল বলেন, ‘জামালখান এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি প্রথম নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও এখন শান্ত আছে ‘












