চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেওয়ায় এক প্রবাসীর বসতবাড়ি এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে। রোববার সকালে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বাড়ি ভাঙচুরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, খেজুরতলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে প্রবাসী রফিউদ্দিন প্রথমে একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর রফিউদ্দিন একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু সম্প্রতি রফিউদ্দিন গোপনে তাঁর প্রথম স্ত্রী ছনিয়াকে পুনরায় বিয়ে করেন এবং তাঁকে নিয়েই মালয়েশিয়ায় চলে যান।

আরও
প্রথম স্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে চরম বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বিরোধের জের ধরেই রোববার সকালে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের লোকজন একটি এক্সকাভেটর এনে রফিউদ্দিনের বসতবাড়ির দেয়াল, কক্ষসহ অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। বাড়ি ভাঙচুরের সময় আশপাশের অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে বিদেশে অবস্থানরত রফিউদ্দিন দাবি করেছেন, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে তাঁর বাড়িঘর ভেঙে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মুকুল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









