দুর্নীতির অভিযোগে দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেও আরব আমিরাত ছাড়তে পারছেন না। জামিন মিললেও তার দেশত্যাগে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। বাংলাদেশের পাঠানো প্রত্যর্পণ নথির ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত নেন। তবে দুবাই কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে আবুধাবির বার্তার পর গত ১৪ জুন জাতীয় সংসদে বেনজীরের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপরই তাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তৎপরতা শুরু হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রস্তুত করা মামলার তথ্য ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ১৪৪ পৃষ্ঠার বিশাল নথি আরবিতে অনুবাদ করে এরই মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে দুবাইয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তদন্ত শুরু করে দুদক। ঠিক সেই সময়েই তিনি দেশ ছাড়েন। পরবর্তীতে দেশে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাত- উভয় দেশেই আলোচিত এই আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।









