বাদল চাকলাদার নামে এক জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক স্থাপন এবং চার বছরের কন্যা সন্তানের পিতৃত্বের স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন হং সান নামের এক ভিয়েতনামী নারী। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ বছর আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাদল চাকলাদার তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সেই প্রতিশ্রুতি তিনি রক্ষা করেননি। এর মধ্যেই চার বছর আগে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। নারী জানান, গর্ভাবস্থায় সন্তানের ধর্মীয় পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে শর্ত জুড়ে দেওয়া হলে তিনি ইসলাম ধর্মও গ্রহণ করেন। কিন্তু ধর্মান্তরিত হওয়ার পরও বিবাদী বিয়ের মাধ্যমে সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি বা দায়িত্ব গ্রহণ করেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গণমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে হং সান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, তিনি কারো করুণা বা অর্থ চান না। জাপানে নিজের ব্যবসা পরিচালনা করে তিনি স্বাবলম্বী জীবনযাপন করছেন এবং প্রয়োজনে একাই সন্তানকে মানুষ করার সামর্থ্য রাখেন। তবে একজন মা হিসেবে তিনি চান, তার সন্তান যেন বাবার পরিচয়ে বেড়ে ওঠার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। তিনি বলেন, “আমার কোনো টাকার প্রয়োজন নেই। আমি চাই আমার সন্তানের পরিচয় ও অধিকার স্বীকৃত হোক। একজন মা হিসেবে এটুকুই আমার চাওয়া।”
আরও
নিজের বক্তব্যে হং সান আরও উল্লেখ করেন, তিনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী এবং সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে তিনি চান মেয়েটি একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে বেড়ে উঠুক। সন্তানের লালন-পালন, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় পিতার সম্পৃক্ততাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তিনি জাপানে বসবাসরত প্রবাসী কমিউনিটি, মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টির মানবিক ও ন্যায়সংগত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।











