সর্বশেষ

ছুটি নিয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল পাভেলের, ফিরলেন কফিনে

Pavel was supposed to return home after his vacation, but he returned in a coffin.ProbashircityWebPopupUpdate

দুই বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরব গিয়েছিলেন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার যুবক মো. হারুন অর রশিদ পাভেল (৩০)। দেশে ফিরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরতে হয়েছে কফিনবন্দি হয়ে। দীর্ঘদিন ধরে লিভারের জটিলতা ও জন্ডিসে ভুগছিলেন তিনি। গত ১৯ ডিসেম্বর হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রিয়াদের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, হাসপাতালে পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর ২৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা ১০ মিনিটে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় পাভেল মারা যান। তার মৃত্যু সংবাদ দেশে পৌঁছানোর পর থেকেই পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। তিন ভাই-বোনের মধ্যে পাভেল ছিলেন মেঝো। তিনি স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।

নিহতের পরিবার জানায়, ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তার। কিন্তু সে স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। পাভেলের মা কুলসুম বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়ার আশায় ছিলাম, কিন্তু আল্লাহ তাকে আমার কাছ থেকে নিয়ে নিলেন।

সেনবাগ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবনের মোড় ঘোরানোর স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমালেও পাভেলের সেই স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। প্রবাস জীবনের কষ্ট আর অদম্য আশা—সবকিছুর মাঝেই এভাবে জীবনাবসান পাভেলের পরিবারের পাশাপাশি এলাকাবাসীকেও ব্যথিত করেছে।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate
ProbashircityWebBannerUpdate