হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পর গাজার মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিতে বাংলাদেশের যুবক প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন গাজার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি মিশরে অবস্থান করছেন এবং গাজায় প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত ‘আশ ফাউন্ডেশন’-এর প্রেসিডেন্ট নাছির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরেই যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসীর পাশে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি ফাউন্ডেশনের ব্যানারে ফিলিস্তিনে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন।

আরও
নাছির উদ্দিন ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে শারজাহ হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর মিশরের রাজধানী কায়রো পৌঁছান। কায়রোর বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ‘বাংলালিয়ানা’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার গাজাবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’, বাংলাদেশে ‘মার্চ ফর গাজা’ এবং কায়রো থেকে ‘গ্লোবাল মার্চ টু গাজা’-তেও অংশ নিয়েছেন তিনি।
মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, তুরস্ক, মরক্কো, নেপাল ও আফগানিস্তানের ভূমিকম্পে অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তিনি মনে করছেন, এই সংকটময় সময়ে গাজায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে কাজ করাই সবচেয়ে জরুরি। নাছির উদ্দিন বলেন, এবার তার ইচ্ছা মসজিদুল আকসার ভূমিতে গিয়ে গাজার অবশিষ্ট পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো।
গাজায় প্রবেশ করতে না পারলে তিনি জানান, মিশর থেকে ট্রাকের মাধ্যমে ত্রাণ পাঠানো হবে। আশ ফাউন্ডেশন স্থানীয় প্রতিনিধিদের সহায়তায় আরও বৃহৎ পরিসরে জরুরি মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।











