মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণপাইকশা গ্রামে মামুন কাজীর (৭০) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছেলে মো. লাদেন কাজী বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় মামলাটি করেন। এতে দুজনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রবাসীর স্ত্রী নিপা আক্তারকে (৩২) প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
গত সোমবার কোলাপাড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাইকশা গ্রামের একটি বাড়ির আমগাছতলা থেকে মামুন কাজীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় লুঙ্গি বাঁধা এবং পাঞ্জাবির হাত শক্তভাবে মুঠো করা ছিল। পকেটে পাওয়া যায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নিপা আক্তারের সঙ্গে এক ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে মামুন কাজীও এ সম্পর্কের জালে জড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জটিল আকার নেয়। নিপা আক্তারের ঘরের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে দ্বিতীয় আসামির নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
আরও
স্থানীয়রা জানান, মামুন কাজী নিয়মিত নিপা আক্তারের বাড়িতে যেতেন। বয়স্ক হওয়ায় প্রথমে কেউ বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেনি। তবে ঘটনার পর গ্রামে নানা ধরনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা নিপা আক্তার দুই সন্তান নিয়ে ব্রাহ্মণপাইকশা গ্রামে বসবাস করতেন।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।











