আকাশপথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নানা রকম যাত্রী এবং তাদের ভিন্ন ভিন্ন আচরণের কারণে হয়ে ওঠে বিচিত্র। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের দায়িত্ব যাত্রীদের সেবা দেওয়া হলেও, সবসময় হাসিমুখ ধরে রাখা সহজ নয়। অনেক সময় কিছু যাত্রীর অভ্যাস এতটাই বিরক্তিকর হয়ে ওঠে যে, তা আর আড়াল করা যায় না।
অভিজ্ঞ কেবিন ক্রুদের মতে, সবচেয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন যাত্রীরা টয়লেটে ঢুকে দরজা লক করতে ভুলে যান। এতে বাইরে ‘অকুপাইড’ সিগন্যাল জ্বলে না এবং অন্য কেউ ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে ভেতরে থাকা যাত্রী যেমন বিব্রত হন, তেমনি বাইরে অপেক্ষমাণ যাত্রীরও সময় নষ্ট হয়। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে টয়লেট ব্যবহারের চাপে এ সমস্যা আরও বাড়ে।
তবে শুধু টয়লেটের দরজা নয়, আরও কিছু অভ্যাস কেবিন ক্রুদের জন্য অসহনীয় হয়ে ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে অনুমতি ছাড়া ক্রুদের ছোঁয়া, বিমানে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই পানি চাইতে শুরু করা, প্রতি দুই মিনিট পরপর কল বেল বাজানো, অকারণে অতিরিক্ত দাবি তোলা এবং অভদ্র ব্যবহার করা।
আরও
ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা মনে করেন, এসব আচরণ শুধু তাদের জন্য নয়, অন্য যাত্রীদের জন্যও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে ভ্রমণের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয় এবং সবার জন্য যাত্রা অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে।
অভিজ্ঞরা পরামর্শ দেন, বিমানে ভ্রমণের সময় যাত্রীদের উচিত সৌজন্য বজায় রাখা এবং কেবিন ক্রুদের কাজকে সহজ করার চেষ্টা করা। এতে যাত্রা হবে আনন্দময় ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।











