আকাশপথে যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা করতে সরকারের উদ্যোগ থাকলেও প্লেনের টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং প্রতারণা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না ট্রাভেল এজেন্সিগুলো। বিশেষত প্রবাসী শ্রমিকরা এই অনিয়মের কারণে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় একাধিকবার পরিপত্র জারি করে নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে প্রতিটি টিকিটের গায়ে ট্রাভেল এজেন্সির নাম, লাইসেন্স নম্বর এবং বিক্রয়মূল্য স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। আইন অনুযায়ী, তা না মানলে লাইসেন্স বাতিল এবং জরিমানা বা কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবুও অনেক এজেন্সি এই নিয়ম অমান্য করছে, ফলে যাত্রীরা জানতেও পারছেন না তারা কত খরচ করছেন বা অতিরিক্ত টাকা চাঁদা দেওয়া হচ্ছে কি না।
প্রবাসী শ্রমিক আকরাম হোসেন এবং কাতার প্রবাসী আসাদ হোসেনের মতো যাত্রীরা বলেন, টিকিটের প্রকৃত মূল্য তাদের জানা নেই এবং এজেন্সি থেকে কোন তথ্যও দেওয়া হয়নি। ফলে বিদেশযাত্রার সময় তারা আর্থিক জটিলতায় পড়ছেন। বিমান মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সম্প্রতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
আরও
সরকারি নির্দেশনার পরও অনেক টিকিটে বিক্রয়মূল্য লেখা হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি রোধে মন্ত্রণালয় স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি নতুন পরিপত্র জারি, টাস্কফোর্স গঠন, আইন ও বিধিমালা সংশোধন এবং ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি।
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী উদ্দেশ্যমূলকভাবে টিকিট সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করছিল। এই নৈরাজ্যের সঙ্গে যারা জড়িত তারা রেহাই পাবে না। আমাদের লক্ষ্য যাত্রীদের স্বার্থ নিশ্চিত করা।











