প্রবাসে উন্নত জীবনের আশায় দেশ ছেড়েছিলেন সোহেল। দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রম শেষে তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশে ফিরে স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে নতুনভাবে জীবন শুরু করার। কিন্তু সেই আশার পরিবর্তে অপেক্ষা করছিল চরম হতাশা ও ভোগান্তি।
দেশে ফিরে সোহেল জানতে পারেন, তার স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করেছেন এবং দীর্ঘদিনের সঞ্চিত অর্থ ও জমিজমা অপচয় কিংবা বিক্রি করে দিয়েছেন। হঠাৎ এ আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি বাধ্য হন অটোচালক হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতে।
সোহেলের এই ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং সমাজের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা। প্রবাসীরা বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করলেও দেশে ফিরে প্রায়শই সামাজিক ও পারিবারিক প্রতারণার শিকার হন। এতে ভেঙে যায় তাদের স্বপ্ন, নষ্ট হয় বছরের পর বছর ঘামঝরানো শ্রম।
আরও
স্থানীয়রা বলছেন, সোহেলের ঘটনা অনেক প্রবাসীর জীবনের প্রতিচ্ছবি। বিদেশে অর্জিত সম্পদ ও স্বপ্ন যদি ভালোবাসার নামে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়, তবে সেটি সমাজের জন্যও উদ্বেগজনক।
তবুও ভেঙে পড়েননি সোহেল। দৃঢ়তা নিয়ে তিনি নতুন জীবন শুরু করেছেন। তার দাবি—প্রবাসীদের সুরক্ষা ও সচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অন্য কেউ আর একই ধরনের প্রতারণার শিকার না হন।











