যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা, চাকরি বা ভ্রমণের স্বপ্ন দেখছেন? তবে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবর্তন এসেছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীর জন্য সাক্ষাৎকারে (ইন-পার্সন ইন্টারভিউ) উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক হবে। এই নিয়ম শুধু নতুন আবেদনকারীর জন্য নয়, যারা ভিসা নবায়ন করতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
আগে কিছু ভিসা ক্যাটাগরিতে “ইন্টারভিউ ওয়েভার” সুবিধা থাকত। যেমন—১৪ বছরের নিচের শিশু, ৭৯ বছরের বেশি প্রবীণ বা একই ধরনের ভিসা নবায়নকারী সরাসরি কাগজ জমা দিয়ে ভিসা পেতে পারতেন। কোভিডকালেও এই সুবিধা আরও সম্প্রসারিত করা হয়েছিল, যাতে আবেদনকারীরা সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
নতুন নিয়মে প্রায় সব ভিসা ক্যাটাগরিতে সাক্ষাৎকার বাধ্যতামূলক হবে। এতে শিক্ষার্থী ভিসা (F, M, J), পর্যটক ও ব্যবসা ভিসা (B1/B2), চাকরি সম্পর্কিত ভিসা (H, L, O-1 ইত্যাদি) এবং এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম বা বিশেষ দক্ষতা ভিসার আবেদনকারীরাও অন্তর্ভুক্ত। সীমিত ক্ষেত্রে, গত ১২ মাসে একই ধরনের পূর্ণ মেয়াদের B1/B2 ভিসা পাওয়া থাকলে ইন্টারভিউ ছাড় পাওয়া যেতে পারে।
আরও
যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলেছে, এই পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্দেশ্য হলো ভিসা প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা জোরদার করা, আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করা এবং সম্ভাব্য জালিয়াতি প্রতিরোধ করা। সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে কনস্যুলার অফিসার আবেদনকারীর উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা ও যোগ্যতা আরও নির্ভুলভাবে যাচাই করতে পারবেন।
বাংলাদেশীদের জন্য এর অর্থ হলো ভিসা প্রক্রিয়া কিছুটা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠবে। যারা আগে ‘ড্রপবক্স’ সুবিধা পেয়েছেন, তাদেরও এবার কনস্যুলেটে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সাক্ষাৎকার দিতে হবে। তাই DS-160 ফর্ম পূরণ করার পর দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখা এবং সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য প্রশ্নের উত্তর স্পষ্টভাবে জানার প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।











