জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জনগণকেই রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু মনে করে, এমনটাই জানালেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, এনসিপি ক্ষমতার লোভে নয়, জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে চায়। মেহেরপুরের গাংনী পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ডে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত জুলাই পদযাত্রার পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “আমাদের বিবেক যেন কোনো দল বা মার্কার কাছে বন্ধক না দিই।” পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের প্রভাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ক্ষমতার উৎস কোনো ব্যবসায়ী, দিল্লি বা বসুন্ধরা নয়, ক্ষমতার উৎস শুধুই জনগণ। জনগণ পাশে থাকলে কোনো পালানোর দরকার পড়ে না।”
নেতৃত্ব নির্বাচনে যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে যারা টাকার বস্তা নিয়ে এলাকায় আসে, তারা পরে পুলিশ-প্রশাসন কিনে নেয়। এদের কাছ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। টাকার বিনিময়ে যারা নেতা হতে চায়, তারা পরে জনগণকে গোলাম বানায়।”
আরও
রাজনীতি ব্যবসায়ীদের দখলে নয়, বরং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত বলেন, “আমরা জনগণের কাছ থেকে ১০-২০ টাকা চাঁদা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই। কোনো ব্যবসায়ীর কাছে আমাদের রাজনীতি বন্ধক দেওয়া হবে না।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পুরনো রাজনীতিবিদরা ভণ্ডামিকে বলে কৌশল, মিথ্যাকে বলে রাজনীতি। এখন সময় এসেছে সততার রাজনীতিতে ফিরে আসার।”
এ সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মেহেরপুর থেকে যেভাবে স্বাধীনতার ডাক এসেছিল, এবার জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা তৈরি হবে।
পদযাত্রা ও পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার এবং জেলা নেতা সাকিল আহম্মেদসহ অনেকে।









