নেপালে সম্প্রতি ব্যাপক দুর্নীতি, সরকারি অর্থ লুটপাট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করার প্রতিবাদে সাধারণ জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এই অভ্যুত্থান দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনঅসন্তোষের নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভারতের শিবসেনার এমপি সঞ্জয় রাউত সতর্ক করেছেন, নেপালের এই অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদাহরণ হতে পারে। তিনি রাজনীতিবিদদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, দেশে দুর্নীতি, স্বৈরাচারী শাসন ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে যদি জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে, তাহলে তা নেপালের মতো বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ভারতের জনগণ এখনো মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা নীতির প্রতি বিশ্বাস রাখায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। মোদি সরকারের টিকে থাকার মূল কারণও এই জনবিশ্বাস, যা দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, নেপালের মতো পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হলে তা বিপজ্জনক হতে পারে।
আরও
সঞ্জয় রাউত মোদি সরকারের দুর্নীতির কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৮০ কোটি মানুষের জন্য বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছেন, কিন্তু দেশের ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যেমন নেপালে হয়েছিল।
অতিরিক্তভাবে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতাকেও আঙুল দিয়ে দেখান। নেপালের সংকটের সময় ভারত বড় ভাই হিসেবে পাশে দাঁড়ায়নি, যা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। রাউত মনে করান, নেপালের পরিস্থিতি ভারতের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।








