Long Popup (2)
সর্বশেষ

এক দশক পর নিখোঁজ বিমানের অনুসন্ধান বন্ধ ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া

এক দশক পর নিখোঁজ বিমানের অনুসন্ধান বন্ধ ঘোষণা করলো মালয়েশিয়াProbashircityWebPopupUpdate

নিখোঁজ থাকা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ এর অনুসন্ধান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটি। মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিমানটি নিখোঁজ রয়েছে। খবর আল জাজিরা

বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) নিউজ এজেন্সি এএফপিকে পাঠানো ভয়েস রেকর্ডিংয়ে অ্যান্থনি লোক বলেন, বর্তমানে বিমানটির অনুসন্ধান কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে আবার অনুসন্ধান শুরু হবে। কারণ বিমানটি অসুন্ধানের জন্য এখন উপযুক্ত মৌসুম নয়।

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭ মডেলের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ বিমানটি ২২৭ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু নিয়ে ২০১৪ সালে বেইজিং থেকে কুয়ালালামপুরে আসার সময় নিখোঁজ হয়। যা বিশ্বে এভিয়েশন জগতে এক রহস্যের সৃষ্টি করে।

এর আগে ভারত মহাসাগর জুড়ে বিমানটি অনুসন্ধানে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এতে কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার একটি দল ভারত মহাসাগরের ১ লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার (৪৬ হাজার ৩০০ বর্গ মাইল) জুড়ে গত তিন বছর ধরে অনুসন্ধান চালায়। কিন্তু এতে অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেলেও বিমানটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামুদ্রিক অনুসন্ধান সংস্থা ওশান ইনফিনিটি ২০১৮ সালে একটি ব্যর্থ অনুসন্ধান পরিচালনা করেছিল। তবে তারা এ বছর নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করতে রাজি হয়েছে। গত মাসে ওশান ইনফিনিটি নিখোঁজ ফ্লাইটের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পুনরায় শুরু করেছে।

সংস্থাটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে না পেলে কোনো অর্থ পাবে না এমন শর্তে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে। যদি তারা ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় তাহলেই মালয়েশিয়া সরকার তাদের অর্থ পরিশোধ করবে।

বৃহস্পতিবার পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটি খুঁজে পাওয়া যাবে কি না, তা সম্পূর্ণ অনুসন্ধানের ওপর নির্ভর করছে, কেউই পূর্বানুমান করতে পারে না।’

২০১৮ সালে প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমান দুর্ঘটনার জন্য বিমান ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করা হয় এবং বলা হয় যে বিমানটির গতিপথ হাতেই পরিবর্তন করা হয়েছিল।

তদন্তকারীরা ৪৯৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, যে তারা এখনও নিশ্চিত নন কেন বিমানটি নিখোঁজ হয়েছিল এবং পাইলটদের বাইরে অন্য কেউ বিমানটিকে পথভ্রষ্ট করেছিল কি না, সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিমানটিতে থাকা যাত্রীদের দুই তৃতীয়াংশ ছিল চীনের। বাকীরা মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশের ছিল।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate