যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের লারেডো শহরের একটি মহাসড়কে ছোট আকারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ আছড়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উড়োজাহাজে থাকা ৬ জন যাত্রীর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর লারেডো শহরের লুপ ২০ নামের মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। লারেডো পুলিশ বিভাগের তদন্তকারী কর্মকর্তা জোসে বায়েজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উড়োজাহাজটি মহাসড়কে আছড়ে পড়ায় সড়কে থাকা কোনো যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজটি মহাসড়কের এক পাশের ব্যারিয়ারে আছড়ে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ফলে সড়কে অন্য কোনো যানবাহনের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জায়রা গার্জা নামের এক রূপসজ্জাকর্মী জানান, দুর্ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন তিনি তাঁর স্বামী ও সহকর্মীদের নিয়ে ওই সড়ক দিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁরাই প্রথম বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি দেখতে পান এবং গাড়ি থামিয়ে সেটির ভিডিও ধারণ করেন। সে সময় ছোট আকারের ওই উড়োজাহাজটিতে আগুন জ্বলছিল। ভিডিও করার সময়ই জায়রা উড়োজাহাজটির ভেতরে মানুষের নড়াচড়া টের পান। এ সময় তাঁর স্বামী এগিয়ে যান এবং উড়োজাহাজের একটি দরজা আংশিক খোলা দেখতে পান। পরে সেখানে উপস্থিত হওয়া আরও কয়েকজনের সহায়তায় জায়রার স্বামী ওই দরজা দিয়ে ৫ জন যাত্রীকে জীবিত বের করে আনতে সক্ষম হন। পরে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার হওয়া ওই যাত্রীদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আরও
ভয়াবহ ওই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে জায়রা এএফপিকে বলেন, ‘আমি একদম ভড়কে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল যেন চোখের সামনে কোনো সিনেমা দেখছি। উড়োজাহাজটিতে আগুন জ্বলতে দেখে আমি খানিকটা ভয়ও পেয়েছিলাম; মনে হচ্ছিল যেকোনো সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।’











