মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে একজন ‘শান্তির দূত’ হিসেবে দেখতে চান। ভবিষ্যতে ইতিহাসে এই ইতিবাচক পরিচয়েই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান বলে মন্তব্য করেছেন। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) নিজের উত্তরাধিকার বা লিগ্যাসি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইতিহাসে তাঁর নাম একজন মহান শান্তির দূত হিসেবে লেখা থাকুক, এটাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা।
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় বাস্তবতায় বিষয়টি কিছুটা সাংঘর্ষিক মনে হলেও ট্রাম্পের দাবি, তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে তিনি একজন প্রকৃত শান্তিস্থাপক। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ও তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিস্তর ফারাক রয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবারই ট্রাম্প ইরানে হামলার বিষয়ে চরম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছেন, ইরানে আঘাত হানার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তালিকায় এখনো ৩ হাজার ৫৫৪টি লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে এবং সেগুলো খুব দ্রুত ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইরান একসময় বেশ শক্তিশালী দেশ থাকলেও এখন তারা সেই সামরিক সামর্থ্য পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছে।
আরও
ইরানের সঙ্গে চলমান এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত এখনো শেষ হয়নি জানিয়ে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ এখনো চলছে, তবে এটা তাঁদের যেকোনো মূল্যে শেষ করতে হবে। এর আগে গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় ইতিমধ্যে অর্জিত হয়েছে। তিনি সরাসরি বিজয় ঘোষণা করতে পছন্দ করেন না জানালেও জোর দিয়ে বলেন, আমেরিকা এই লড়াইয়ে চূড়ান্তভাবে জিতে গেছে।











