যুক্তরাষ্ট্র সরকার মাদক কার্টেল ও তাদের রাজনৈতিক সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মেক্সিকোর অন্তত ৫০ জনের বেশি রাজনীতিবিদ এবং সরকারি কর্মকর্তার ভিসা বাতিল করেছে। এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন মাদকবিরোধী কৌশলের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা মেক্সিকোর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
আগে অবশ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভিসা বাতিল করেছিল, কিন্তু 이번 সিদ্ধান্ত অভূতপূর্ব মাত্রায় নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের সাবেক রাষ্ট্রদূতরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ভিসা বাতিলের ব্যবস্থা কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। সাবেক রাষ্ট্রদূত টনি ওয়েন বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকোর ওপর চাপ তৈরি করার নতুন পথ খুঁজে পেয়েছে।
এখন পর্যন্ত চারজন রাজনীতিবিদই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে তাদের ভিসা বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর মারিনা দেল পিলার আভিলা রয়েছেন, যিনি সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আরও
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, যে কোনো বিদেশি কর্মকর্তা বা নাগরিক যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কার্যক্রমে জড়িত থাকে, তার ভিসা যে কোনো সময় বাতিল করা যেতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকোর শেইনবাউম সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আওতায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে চায়।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নজর রাখার দাবি বেড়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স











