সর্বশেষ

মুক্তিযোদ্ধা সনদ জাল করে চাকরি, ১২ বছর কারাদণ্ড কনস্টেবলের

Web Popup (3)

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ রায় দেন নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের নির্দেশে ফেনী জেলায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষার আহ্বান করলে স্থানীয়ভাবে ৭৩ জন প্রার্থীকে ফেনী পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত প্রার্থীদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে ৪৫ জন পুরুষ যার মধ্যে ৯ জনকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত করা হয়।

এর মধ্যে মোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত ছিলেন। চূড়ান্ত হওয়ার পর তাকে ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য মহালছড়ি খাগড়াছড়িতে পাঠানো হয় এবং তিনি প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগ দেন। এরই মধ্যে তার দাখিলকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাইয়ের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানো হয়। যাচাই বাছাইয়ে মোরশেদ আলমের দাখিলকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদটি ভূয়া/জাল প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।

মামলার পর পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রোববার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে শুনানি শেষে বিচারক ১২ বছরের কারাদণ্ড দেন।

আরও দেখুন

 

 

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup