মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা। বরং এই জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সৌদি আরব ও তুরস্ক বেশ ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই ভূরাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ এই জোটে যুক্ত হলে মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত ও সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিক নিয়ে কথা বলার সময় চীনের প্রসঙ্গটিও উঠে আসে। বেইজিংয়ের সঙ্গে ঢাকার বর্তমান সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই নিবিড় ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দুই দেশের মধ্যে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে। তবে এই উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ ঠিক কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হবে, তার চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে সমসাময়িক বিষয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা প্রশ্নেরও জবাব দেন হুমায়ুন কবীর। সম্প্রতি তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে সাংবাদিকেরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি উত্তর দেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্কের জবাবে তিনি কেবল ‘আমি বাংলাদেশি’ বলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।










