সর্বশেষ

সৌদি-পাকিস্তান জোটে ঢুকছে আরও দুই মুসলিম দেশ

41053bcc 39e2 4f1e b1b2 b4890b05e892Web Popup (3)

সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের বিদ্যমান কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এবার তুরস্ক ও কাতারকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তার এই তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৈশ্বিক রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলো শেষ পর্যন্ত একমঞ্চে এলে দীর্ঘদিনের বহুল আলোচিত ‘মুসলিম ন্যাটো’ গঠনের ধারণাটি অচিরেই বাস্তবে রূপ নিতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থানকে সুসংহত করার সুস্পষ্ট লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ইসলামাবাদ ও রিয়াদ। ওই চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটির মধ্যে সামরিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়। এবার সেই চুক্তির পরিধি বাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার অন্যান্য শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে একই ছাতার নিচে আনার প্রকাশ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে পাকিস্তান।

এই চুক্তির সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়ে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘হাম নিউজ’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বিস্তারিত কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “যদি কাতার ও তুরস্ক সফলভাবে এই চুক্তির অংশ হয়, তবে তা এই অঞ্চলের জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।” তার মতে, এর মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে সম্পূর্ণ নতুন একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা পশ্চিমা বা অঞ্চল-বহির্ভূত পরাশক্তিগুলোর ওপর তাদের বর্তমান নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আরও জানান, এই বিশাল উদ্যোগের মূল লক্ষ্যই হলো সমমনা ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি বিস্তৃত এবং কার্যকর সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং যেকোনো বহিরাগত বা অভ্যন্তরীণ হুমকি মোকাবিলায় সম্মিলিত বা সমষ্টিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব হবে। যদি পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং কাতারের মতো সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দেশগুলো সত্যিই এমন কোনো যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এটি একটি যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করবে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup