দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত মাসের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান থেকে বড় সুখবর পেয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বলা হয়েছিল, বন্ধ থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা আগামী দুই মাসের মধ্যে পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। সেই আশ্বাসের পর ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে এক মাস। ফলে ওমানের শ্রমবাজার আবার পুরোদমে উন্মুক্ত হওয়ার অপেক্ষা এখন কেবলই আর একটি মাসের।
গত জানুয়ারির শেষের দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল লেবার মার্কেট কনফারেন্স’-এর ফাঁকে ওমানের শ্রমমন্ত্রী ড. মাহাদ বিন সাঈদ বিন আলী বাওয়াইন সালিম আল-বুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বাংলাদেশের সেসময়কার প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সেই বৈঠকেই মূলত দীর্ঘদিনের জমে থাকা বরফ গলে। ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশিদের জন্য স্থগিত থাকা সাধারণ ও অদক্ষ কর্মীদের নতুন কর্মভিসা পুনরায় চালুর বিষয়ে সেখানেই দুই মাসের একটি সুস্পষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন ওমানের শ্রমমন্ত্রী। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, রিয়াদের সেই ফলপ্রসূ আলোচনার পর থেকেই ভিসা চালুর আনুষঙ্গিক আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে কাজ চলছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওমানের মতো একটি বড় শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়া বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহের জন্য অত্যন্ত জরুরি। রিয়াদের সেই আশ্বাসের এক মাস পূর্তিতে ওমান গমনেচ্ছু সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এখন নতুন করে আশা সঞ্চার হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগে সাধারণ কর্মীরা যেন কোনোভাবেই দালাল বা প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা না দেন। দুই দেশের চূড়ান্ত সমঝোতার পর সরকারিভাবে দেওয়া নির্দেশনার আলোকেই ওমানে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।












