মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ব্যস্ত পাইকারি বাণিজ্যকেন্দ্র জিএম প্লাজা ও হাজী তাইব হোলসেল সেন্টারে যৌথ অভিযানে ১২৪ জন অননুমোদিত অভিবাসীকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি ৩৭ জন, পাকিস্তানি ৫৯ জন, মিয়ানমারের ১০, ভারতের ৫, ইন্দোনেশিয়ার ১২ এবং থাইল্যান্ডের ১ জন রয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সওপি ওয়ান ইউসুফ জানান, অভিযানের খবর পেয়ে কিছু বিদেশি জরুরি নির্গমন পথ ও লিফট ব্যবহার করে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কেউই অভিযান থেকে রক্ষা পায়নি। মোট ২০৫ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ১২৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে।
অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার কোম্পানি কমিশন (এসএসএম), কেপিডিএন এবং কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) অংশ নেয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা, বিদেশি শ্রমিকের পাস অপব্যবহার এবং অবৈধ অভিবাসী উপস্থিতির অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
আরও
আটকদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনের ৬(১)(সি) ও ১৫(১)(সি) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বিদেশি দাবি করেন, তার ভিসা ও পাসপোর্ট বাসায় রয়েছে এবং তিনি শুধু ঘুরতে এসেছিলেন। তিনি আরও জানান, তিন মাস আগে এক এজেন্টকে ৬ হাজার রিংগিত দিয়ে মালয়েশিয়া এসেছেন, তবে এখনো বেকার।
সমন্বিত এই অভিযানে ডিবিকেএল লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা ও বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের কারণে ছয়টি মামলায় জরিমানা করেছে এবং একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বন্ধের নোটিশ দিয়েছে। কেপিডিএন মূল্য ট্যাগিং–সংক্রান্ত সাতটি অপরাধে মোট সাড়ে ৬ হাজার রিংগিত জরিমানা করে। এছাড়া ১১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ২৫টি অপরাধ শনাক্ত করা হয়েছে, যার শাস্তি ৫০০ রিংগিত থেকে ৩০ হাজার রিংগিত পর্যন্ত হতে পারে।












