কুয়েতের হাওয়ালি জেলায় নয় বছর বয়সী এক প্রবাসী শিশুকে অপহরণ ও যৌন নির্যাতনের দায়ে এক নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির ফৌজদারি আদালত। আরবি দৈনিক আল কাবাস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করে এই দণ্ডাদেশ দেন।
মামলার শেষ যুক্তিতর্কে ভুক্তভোগী শিশুর পক্ষে আইনজীবী আলা আল সাঈদি আদালতের কাছে দোষীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রয়োগের আহ্বান জানান। তিনি ফৌজদারি আইনের ১৮০ নম্বর ধারার উল্লেখ করে বলেন, বলপ্রয়োগ, হুমকি বা প্রতারণার মাধ্যমে কাউকে অপহরণ করলে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। এই অপরাধটি ছিল বিশেষভাবে ঘৃণ্য, কারণ শিশু অপহৃত হয়েছিল ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে।
আইনজীবী আলা আল সাঈদি আদালতে জানান, অভিযুক্তের অতীতে অপরাধের ইতিহাস রয়েছে—২০০৩ সাল থেকে শুরু করে একাধিক শিশু অপহরণ ও নির্যাতনের মামলা তার বিরুদ্ধে আছে। তাই এমন অপরাধীর প্রতি কোনো ধরনের সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই। ফরেনসিক রিপোর্টেও প্রমাণিত হয়েছে যে, শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
আরও
তিনি বলেন, এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ন্যায়বিচারের জয় হবে এবং সমাজে একটি শক্ত বার্তা দেবে যে, শিশুদের নিরপরাধত্ব ও দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। “সমাজ,” বলেন আইনজীবী, “অপেক্ষা করছে ন্যায়বিচারের সঠিক প্রয়োগের, যা ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ ঠেকাতে সহায়তা করবে।










