ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন বছর আগে চালু হওয়া স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল বা ই-গেট সেবা এখনও যাত্রীদের সুবিধা দিতে পারছে না। ই-গেটের মাধ্যমে ই-পাসপোর্টধারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারার কথা ছিল, কিন্তু এখনও যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ম্যানুয়ালি ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। ফলে ভোগান্তি আগের মতোই থেকে গেছে।

ই-গেট চালু হওয়ার সময় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছিল, যাত্রী নির্দিষ্ট নিয়মে ই-পাসপোর্ট রাখলেই গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে, ক্যামেরা ছবি তুলবে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ইমিগ্রেশন শেষ হবে। কিন্তু যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, বর্তমানে বিমানবন্দরের কোনো ই-গেট সচল নেই এবং লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ইমিগ্রেশন করতে হচ্ছে।
আরও
বিমানবন্দর সূত্রের মতে, ই-পাসপোর্ট ও অটোমেটেড বর্ডার কন্ট্রোল (এবিসি) প্রকল্পের আওতায় ২৬টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ১২টি আগমনী, ১২টি বহির্গমনী এবং দুটি ভিআইপি ব্যবহারের জন্য। কিন্তু যাত্রীদের ভিসা যাচাই এবং যাত্রার অন্যান্য তথ্য ম্যানুয়ালি করার কারণে গেটগুলো কার্যত বন্ধ রয়েছে।


যাত্রীদের অভিজ্ঞতা থেকেও দেখা যায়, ই-গেট থাকলেও ভিসা যাচাইয়ের জন্য আবার ম্যানুয়ালি ডেস্কে যেতে হয়। এর ফলে ফ্লাইটের সময় সীমার মধ্যে অনেক যাত্রী দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে বড় ও শিশুদের জন্য এটি অনেক বেশি কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।


শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ জানিয়েছেন, ই-গেট কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। যাত্রীদের স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মাধ্যমে শিগগিরই সেবা পুনরায় চালু করার আশা রয়েছে।











