ওমানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ধোফার প্রদেশের কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে রয়েছে কয়েকটি বিশাল প্রাকৃতিক গর্ত বা সিঙ্কহোল, যা বর্তমানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। আকার, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও রহস্যময় উৎপত্তি—সব মিলিয়ে এই গর্তগুলো দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে।
ধোফার অঞ্চলে অন্তত চারটি বৃহৎ সিঙ্কহোল রয়েছে। এর মধ্যে কাহফ তেইক বিশ্বের অন্যতম গভীর সিঙ্কহোল, যার গভীরতা প্রায় ২১১ মিটার। আরেকটি পরিচিত সিঙ্কহোল তাওই আতাইর বা ‘পাখির কূপ’, যেখানে পাহাড়ের দেয়ালে প্রতিধ্বনিত পাখির ডাক তৈরি করে ভৌতিক এক সুরের পরিবেশ। ১৯৯৭ সালে স্লোভেনীয় গবেষকদের মাধ্যমে এটির আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করে বলে জানায় গালফ নিউজ।
পর্যটকদের সুবিধার্থে কিছু সিঙ্কহোলে নির্দিষ্ট পথ ও সিঁড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে কিছু স্থান এখনও ঝুঁকিপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, শিহিত পিট এলাকায় খাড়া ও কাদাময় প্রান্তের কারণে সম্প্রতি এক পর্যটক নিচে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর পর থেকেই কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
আরও
অতীতে স্থানীয় লোককথায় এসব গর্তকে উল্কাপিণ্ডের আঘাত কিংবা অতিপ্রাকৃত ঘটনার ফল হিসেবে বর্ণনা করা হতো। তবে ভূতত্ত্ববিদ আলি ফারাজ আল-কাথিরি জানান, হাজার বছরের মধ্যে অ্যাসিডিক পানি ছিদ্রযুক্ত চুনাপাথর ক্ষয় করে এই বিশাল গর্ত তৈরি করেছে।











