জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকারের বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেতে শুরু করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কয়েকটি রাজনৈতিক দল এ ইস্যুতে সরব হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘প্রক্সি ভোট’, ‘পোস্টাল ব্যালট’ ও ‘অনলাইন ভোটিং’ পদ্ধতি নিয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করলেও বড় পরিসরে অগ্রগতি হয়নি। ফলে বিষয়টি বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।
এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইসি জানায়, প্রবাসীদের ভোট পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এই লক্ষ্যে ভোট গ্রহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছে। কমিশনের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীরা ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোট দিতে পারবেন।
তবে পরিকল্পনা কমিশন প্রস্তাবনাটিতে কিছু অস্পষ্টতা ও সমন্বয়হীনতার বিষয় উল্লেখ করেছে। বিদেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দেওয়া হলেও, ঠিক কতজনের ভোট গ্রহণ করা হবে এবং কোন কোন দেশ থেকে ভোট হবে—তা স্পষ্ট নয়। এছাড়া বিদেশে ভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক সহযোগিতা সম্পর্কেও নির্দিষ্ট তথ্য প্রস্তাবনায় নেই।
আরও
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘দেশের বাইরে ভোটদান সিস্টেম উন্নয়ন এবং বাস্তবায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় খরচ ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি চলবে। এর মূল লক্ষ্য—প্রবাসী ভোটারদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি-সমর্থিত পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা, দেশের অভ্যন্তরে প্রযোজ্য ভোটারদের জন্য একই পদ্ধতি চালু করা এবং অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করা।











