কয়েকদিনের সংঘাতের পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেশ দুটি শান্তির পথে আসে।
সিএনএন জানিয়েছে, ভারতের হামলার জবাবে পাকিস্তান পাল্টা হামলা চালায়। পাকিস্তানের হামলার তীব্রতা দেখে ভারত আলোচনায় আন্তরিকভাবে অংশ নেয়।
পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র জানায়, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দুই দেশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হলে এই চুক্তির প্রেক্ষাপট তৈরি হয়।
আরও
সূত্রটি আরও জানায়, শুক্রবার উভয় পক্ষ শান্তিচুক্তির দিকে এগোচ্ছিল, কিন্তু শনিবার ভোরে ভারত তিনটি পাকিস্তানি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে পাকিস্তান বিস্মিত হয়। পাকিস্তান পাল্টা জবাবে ভারতের বিমানঘাঁটি ও কাশ্মীর সীমান্তে হামলা চালায়।
পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণের তীব্রতায় ভারত হতবাক হয়ে যায়। এরপর উভয় পক্ষ আলোচনায় আন্তরিকভাবে অংশ নিতে শুরু করে। আলোচনা চলাকালীন ভারত কিছু রকেট ছুড়লেও, যুক্তরাষ্ট্রের আশ্বাসে আলোচনা থেমে থাকেনি।
ওই সূত্রটি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি সৌদি আরব ও তুরস্কের কর্মকর্তারাও আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।
শনিবার বিকেলে উভয় পক্ষ নতুন করে হামলা চালায়নি। এর দুই ঘণ্টা পর আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়। তবে রুবিও কীভাবে ভারতের সম্মতি আদায় করেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ভারতীয় কর্মকর্তারা জানান, এই চুক্তি সরাসরি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করেই হয়েছে এবং এখানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রভাব তেমন ছিল না।











