গণভবন থেকে উদ্ধার হওয়া গোপন নথিতে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘুষ লেনদেন ও একাধিক বৈঠকের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গণভবনে পাওয়া নথি ঘেঁটে দুদক ও সিআইডির তদন্তকারীরা এসব তথ্য উন্মোচন করেছেন।
নথি অনুযায়ী, সিমিন রহমান হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে শেখ হাসিনার সাথে তার তিন দফা বৈঠকও হয়।
এই ঘুষ ও বৈঠকের সুবাদেই সিমিন রহমান হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক মামলা থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে চলা তদন্ত কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

আরও
এদিকে, ২০২৩ সালের ২৩ জুন ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর সিমিন রহমানের তৎপরতা সন্দেহের জন্ম দেয়।
আরশাদের আরেক বোন শাযরেহ হক গুলশান থানায় হত্যা মামলা করে দাবি করেন, পিতার সম্পত্তি আত্মসাতের জন্যই সিমিন রহমান আরশাদকে হত্যা করেছেন।
এই ঘটনাগুলো নিয়ে তদন্ত চললেও ঘুষ লেনদেনের গোপন নথি উদ্ধার তদন্তকে নতুন মোড় দিয়েছে। এখন দেখা যাক, এই চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক মহলে কী ধরনের প্রভাব ফেলে!











