নোয়াখালীর সদর উপজেলায় প্রবাসীদের ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ধান চাষ করে ৩লাখ টাকা চাঁদা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসি।
বুধবার (২৬ শে মার্চ) সকাল ১০ ঘটিকায় সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বয়ার বাজার সংলগ্ন দখলকৃত জায়গার পাশের সড়কে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং সনে ছাপ কবলা মূলে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ভাটিরটেক মৌজায় ৪০ শতাংশ জায়গা খরিদ করেন প্রবাসী মো. রাসেদ, মো. সাহেদ ও মো. শামীম। জায়গা ক্রয় করার পর বিক্রেতা দখল বুঝিয়ে দিতে গেলে একই বাড়ির মোছলে উদ্দিন নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিতে জোরপূর্বক হালচাষ দিয়ে বোরোধান রোপন করে দেন। পরবর্তীতে জায়গা ছাড়তে বললে প্রবাসী পরিবারের কাছে জায়গা ছাড়তে হলে ৩লাখ টাকার চাঁদা দাবি করেন মোছলে উদ্দিন। এ নিয়ে একাধিকবার বাকবিতন্ডার ঘটনাও ঘটেছে। এমতবস্থায় চাঁদাবাজদের কবল থেকে জমি ফেরত চান ভূক্তভোগী প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে এই চাঁদাবাজের বিচার চেয়ে জমি বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, আমি ছাপ কবলামূলে জায়গা বিক্রি করার পর দখল দিতে আসলে মোছলে উদ্দিন গংরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখল করে নিয়ে জমিতে ধান চাষ করে এখন প্রবাসীদের কাছে ৩লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। এবিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেও এখনো কোন প্রতিকার পাইনি আমরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন, প্রবাসীর ভাই ইমন, প্রবাসী শামীম, প্রবাসীদের বৃদ্ধ মা বিবি মর্জিনা, স্থানীয় জামাল উদ্দিন, জমি বিক্রেতা আবুল হোসেন প্রমূখ।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে চাঁদাবাজ মোছলে উদ্দিন গংদের বিচার দাবি ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তি এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান এলাকাবাসিসহ ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মোছলে উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, জায়গা জমি নিয়ে তাদের সাথে পারিবারিক ভাবে কিছু ঝামেলা রয়েছে, তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ সত্য নয়।
প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Discussion about this post