লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের দক্ষিণ মান্দারী গ্রামে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দাবিতে এক তরুণীর অবস্থান ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণী টানা তিন দিন ধরে সৌদি প্রবাসী হৃদয় হোসেনের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিনি স্বীকৃতি না পেলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন। হৃদয় বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, নারায়ণগঞ্জের হিরাজিল এলাকায় হৃদয় ও তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং সেখানে তাদের বিয়েও হয়। এলাকায় খোঁজ নিয়ে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরও হৃদয়ের পরিবার বিষয়টি অস্বীকার করছে বলে জানান প্রতিবেশীরা। হৃদয়ের বাবা মমিন উল্যা বলেন, প্রেম বা বিয়ের ব্যাপারে তারা আগে কিছুই জানতেন না।
তরুণী জানান, আগের স্বামীর সঙ্গে সংসার ভাঙার পর তিনি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন, যেখানে হৃদয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। আট মাস প্রেমের পর চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয়, যদিও কাবিননামা হয়নি। তিনি দাবি করেন, বিয়ের পর তারা হিরাজিলে ভাড়া বাসায় ছিলেন এবং হৃদয়ের পরিবারের জানা সত্ত্বেও ঈদের পর তাকে না জানিয়েই হৃদয় সৌদি চলে যান। এ সময় তিনি অন্তঃস্বত্ত্বা হন এবং হৃদয়ের চাপে সন্তান নষ্ট করতে বাধ্য হন।
আরও
তরুণীর অভিযোগ, গ্রামের বাড়িতে এলে তাকে অপমান করে বের করে দেওয়া হয়। পরে তিনি আবার এসে বাড়িতে অবস্থান শুরু করেন। তার দাবি, নিয়মিত সংসার করার উদ্দেশ্যেই তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং স্বীকৃতি না পেলে এখানেই আত্মহত্যা করবেন।
তবে বিদেশ থেকে মোবাইলে হৃদয় হোসেন দাবি করেন, ওই তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকলেও তিনি বিয়ে করেননি। তার আগের বিয়ের কথা এবং সন্তানের বিষয়টি জানার পর তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। অর্থ নেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।











