কাতার সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে কাতারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিকে এ তথ্য জানানো হয়। খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে ২৯ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত সেরাইয়া আলী আল কাহতানিকে একটি চিঠি দিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের সহযোগিতা চান। দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সেই চিঠিতে সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়।
২৩ নভেম্বর রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার ভোরে তাঁকে এসডিইউ থেকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক পরিস্থিতিকে এখনো সংকটাপন্ন বলে উল্লেখ করেছেন।
আরও
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে প্রতিদিনই দলের নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতাল প্রাঙ্গণে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকেও হাসপাতালের সামনের সড়কে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীদের সমাগম হয়।
এদিকে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সহায়তায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক রিচার্ড বিয়েল বুধবার ঢাকায় পৌঁছান। একই দিন রাতেই চীন থেকে চার সদস্যের আরেকটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ঢাকায় এসে এভারকেয়ার হাসপাতালে যোগ দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতাল, লন্ডন ক্লিনিকসহ বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা পরিচালনা করছে। এছাড়া ১ ডিসেম্বর চীনের চিকিৎসকদের পাঁচ সদস্যের একটি অগ্রবর্তী দলও ঢাকায় এসে চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হয়।











